প্লাজমা থেরাপি: অ্যান্টিবডির মাত্রা ও সংক্রমণের পর্যায় যেখানে গুরুত্বপূর্ণ

Total Views : 417
Zoom In Zoom Out Read Later Print

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের বাইরে প্লাজমা থেরাপি দিতে নিরুৎসাহিত করা হলেও স্বজনদের আগ্রহে বিভিন্ন হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অনেককে এ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তাদের একটি অংশকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এ পদ্ধতির কার্যকারিতা এখনও পরীক্ষাধীন। তাছাড়া সংক্রমণের শুরুর পর্যায়ে রোগীর শরীরে পর্যাপ্ত ঘনত্বের অ্যান্টিবডিসমৃদ্ধ প্লাজমা দিতে না পারলে এ চিকিৎসায় সাফল্যের আশা কম।

অভূতপূর্ব এই বৈশ্বিক মহামারীতে লাখ লাখ রোগী সামলাতে হিমশিম খাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন উন্নত দেশ আক্রান্তদের চিকিৎসায় সেরে ওঠা ব্যক্তিদের রক্তের প্লাজমা (কনভালেসেন্ট প্লাজমা) প্রয়োগ করছে।

বাংলাদেশে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করে কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসা করার সম্ভাব্যতা দেখতে এপ্রিলের শুরুতে আগ্রহের কথা জানান ঢাকা মেডিকেল কলেজের হেমাটোলজির অধ্যাপক ডা. এম এ খান।

এরপর ১৯ এপ্রিল তাকে সভাপতি করে ৪ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই কমিটির অধীনে প্লাজমা থেরাপির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।

এই কমিটি নির্ধারিত প্রোটোকল মেনে পরীক্ষামূলকভাবে ৯০ জন রোগীর শরীরে প্লাজমা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ হওয়ার আগে এর ফলাফল তারা প্রকাশ করতে চান না।

তবে প্লাজমা কোন পর্যায়ে প্রয়োগ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এবং মুগদা জেনারেল হাসপাতাল আলাদা একটি গবেষণা চালাচ্ছে।

See More

Latest Photos