শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে বন্ধ হয়ে গেল ফেরি, পথে পুলিশ

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে জনসমুদ্র এড়াতে উপায় না পেয়ে ফেরি সার্ভিস অনির্দিষ্ট কালের জন্য ফেরি সার্ভিস বন্ধ করতে বাধ্য হলো বিআইডব্লিউটিসি। যাত্রী ঢল ঠেকাতে মহাসড়ক জুড়ে দেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের ব্যারিকেড।
জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে প্রশাসনিক তৎপতায় কমায় শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটের ফেরিগুলোতে ছিল উভয়মুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভীড়। ফেরি চলাচল সীমিত থেকে বাড়িয়ে ১২ টি সচল করতে বাধ্য হয় বিআইডব্লিউটিসি। গত ২/৩ দিন ধরে যাত্রী দক্ষিনাঞ্চলের যাত্রীদের ভীড় বেড়েই চলছিল। রবিবার রাত থেকে আবারো সীমিত করে মাত্র ৪টি ফেরি চালু রাখে বিআইডব্লিউটিসি। সোমবার সকালে এ রুট হয়ে যাত্রীদের ঢল নামে। একপর্যায়ে এ ঢল জনসমুদ্রে রুপ নেয়। বাধ্য হয়ে সবকটি ফেরি চালু করে যাত্রী পারাপার করা হয়। যাত্রীরা পার হয়ে ঝূকি নিয়েই অনেকে রওনা হন। পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে উভয় ঘাট থেকেই যাত্রীরা পড়ে অবর্ননীয় দূর্ভোগে। গনপরিবহন বন্ধ থাকায় সীমাহীন দূর্ভোগ আর কয়েকগুন টাকা খরচ করে ওপাড় থেকে ঢাকা পর্যন্ত ও এপাড় থেকে বরিশাল, খুলনা,ভোলা, গোপালগঞ্জসহ দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় পৌছাতে দেখা গেছে। আভ্যন্তরীন যোগাযোগেও খরচ করতে হয়েছে কয়েকগুন টাকা। ইজিবাইক,মাহিন্দ্রা,ভ্যান, মটরসাইকেলে চড়েই যাত্রীরা যার যার স্থানে রওনা দেন। কিন্তু কোন কিছুতেই যাত্রী চাপ না কমায় বিকেলে সকল ফেরি পারাপার বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিসি। উভয় ঘাট সংযুক্ত সকল মহাসড়কে একাধিক স্পটে ব্যরিকেড দেয় পুলিশ ও প্রশাসন। কাঠালবাড়ি ঘাট সংলগ্ন শিবচরের দত্তপাড়া,পাচ্চর ও ঘাট এলাকায় পুলিশ ব্যারিকেড দেয়।
সুমন মিয়া নামের এক যাত্রী বলেন, ঢাকা থেকে ৬শ টাকা খরচ করে শিমুলিয়া ঘাটে এসে ফেরির জন্য ৪ ঘন্টা আটকে থাকি। গাদাগাদির মধ্যে কোনরকমে পার হয়ে ১২ টাকায় ভাড়ায় বরিশাল যাচ্ছি। আগে জানলে আর আসতাম না।
বিআইডব্লিউটিসির কাঠালবাড়ি ঘাট ম্যানেজার আঃ আলিম মিয়া বলেন, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে পৌছেছিল তাতে ফেরি বন্ধ করার কোন বিকল্প ছিল না। কত্তৃপক্ষ অর্নিদিষ্টকালের জন্য ফেরি বন্ধ করেছে।

বিষয়:   স্থানীয় সংবাদ       সোমবার ১৮ মে, ২০২০